সোমবার ১৭ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ | ৩রা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

চাকরির ইন্টারভিউর ক্ষেত্রে যে ১০ ভুল এড়িয়ে চলবেন

যুক্তরাজ্য অফিস   |   মঙ্গলবার, ০৭ মে ২০২৪   |   প্রিন্ট   |   3 বার পঠিত

চাকরির ইন্টারভিউর ক্ষেত্রে যে ১০ ভুল এড়িয়ে চলবেন

চাকরির জন্য অনেক মানুষ ভাইভা দিয়ে থাকে। এই ভাইভা দিতে গিয়ে চাকরিপ্রার্থীরা বেশ কিছু ভুল করে থাকে। এই ভুলগুলো চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধক হয়ে দাঁড়ায়। চলুন জেনে নেওয়া যাক চাকরির ক্ষেত্রে এমন দশটি ভুল।

১. সঠিকভাবে পোশাক না পরা :
মার্সিসাইডের ব্লেজ মিডিয়া ডিজিটাল মার্কেটিং এজেন্সির ম্যানেজিং ডিরেক্টর পল ওয়েবলি বলেন, আপনি যদি কোনো মার্কেটিং এজেন্সিতে ইন্টারভিউ দিতে যান তাহলে অবশ্যই স্মার্ট পোশাক পরুন। স্যুট পরার দরকার নেই। এক্ষেত্রে আপনার শারীরিক অবয়ব অনুযায়ী মানানসই পোশাক পরিধান করুন।

২. হ্যান্ডশেক মিসহ্যাপ :
পলের মতে দ্বিতীয় ভুল হলো হ্যান্ডশেক করা। আপনি হ্যান্ডশেকটি এমনভাবে করুন যেন সেটা হয় পোলাইট এবং আদিখ্যেতা বর্জিত। হ্যান্ডশেক করার সময় কোনো ঝাঁকুনি দেওয়ার দরকার নাই। একটি ফার্ম, পোলাইট হ্যান্ডশেক বিজনেস এবং এর বাইরেও একটি মৌলিক মানবিক দক্ষতা।

৩. অভিযোগ করা :
কয়েক মাস আগে মি. পলকে একজন জানান, তিনি মনে করেন যে ইন্টারভিউতে যাওয়ার জন্য অফিসে উপস্থিত থাকা জরুরি না। কিন্তু এটা ছিল অফিস বেসড রোলের চাকরি। যদি কেউ এমনটা মনে করে তাহলে তার চাকরি হবে না।

৪. টেক পরীক্ষা না করা :
রিক্রুটমেন্ট ফার্ম চেরি পিক পিপলের সিনিয়র কনসালট্যান্ট টাস রেভেনক্রফট বলেন, ইন্টারভিউ লোকেশন বা প্ল্যাটফরমের বিষয়ে ডিটেইলস জানার পাশাপাশি আপনার টেক পরীক্ষা করতে হবে। এগুলো আপনার ইন্টারভিউ প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করতে পারে।

৫. আগের নিয়োগকর্তাদের সঙ্গে বাজে ব্যবহার :
অনেক চাকরিপ্রার্থী তাদের আগের চাকরির বাজে অভিজ্ঞতাগুলোকে ইন্টারভিউয়ে তুলে ধরে। এতে তাদের সম্পর্কে একটি নেতিবাচক ধারণা তৈরি হয়। তাই ইন্টারভিউয়ে গেলে এসব বাদ রেখে কনফিডেন্ট থেকে আপনার নিজের ওপর ফোকাস করুন।

৬. চাকরির বেনিফিট কিংবা সিক পে স্যালারি নিয়ে প্রশ্ন করুন :
ইন্টারভিউ শেষে আপনি কোম্পানি পলিসি কিংবা অগ্রগতি এবং আপনার রোল সম্পর্কে জানতে চাইতে পারেন। এতে প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে আপনার যে আগ্রহ রয়েছে সেটা প্রকাশ পাবে। তাই বেতন-ভাতা এবং সিক পে পলিসি সম্পর্কে জানুন।

৭. আগ্রহ না দেখানো :
রিডিং বেসড ইতালীয় ফুড ইম্পোর্টার টেনুটা মারমোরেলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাইক কার্লুচি বলেন, বর্তমানে অনেক মানুষ চাকরি খুঁজছে। কিন্তু এই চাকরিকে তারা স্রেফ চাকরি হিসেবেই দেখে। ফলে সেক্টর সম্পর্কে তাদের কোনো আগ্রহ তৈরি হয় না। এর প্রভাব পড়ে তাদের পারফরম্যান্সে। তাই জব সম্পর্কে আবেগ এবং উদ্দীপনা থাকতে হবে।

৮. খুব বেশি কথা বলা :
এক্সিকিউটিভ ক্যারিয়ার জাম্পের প্রতিষ্ঠাতা অ্যান্ড্রু ম্যাকআস্কিল বলেছেন, কখনো কখনো স্নায়ুবিক দুর্বলতার কারণে অনেকে অতিরিক্ত কথা বলে কিংবা বিষয়বস্তু না বুঝে প্রশ্নের উত্তর দেয়। এগুলো ইন্টারভিউ বোর্ডে নেগেটিভ প্রভাব ফেলে।

৯. আন্ডার প্রিপারেশন :
রবার্ট ওয়াল্টার্স ইউকের ডিরেক্টর হাবিবা খাতুন বলেন, অনেকে কোম্পানির বিষয়ে গবেষণা করে না কিংবা তারা যে পদের জন্য ইন্টারভিউ দিচ্ছে সেটা সম্পর্কে ধারণা থাকে না। এ ছাড়া অনেকে তার সিভি এবং অভিজ্ঞতার সমন্বয় করতে পারে না।

১০. দেরি করা কিংবা খুব তাড়াতাড়ি যাওয়া :
রিক্রুটমেন্ট এক্সপার্টদের ম্যানেজিং ডিরেক্টর জেমস রো বলেছেন, যেকোনো ইন্টারভিউয়ের প্রস্তুতির জন্য নির্ধারিত সময়ের ২০ মিনিট আগে পৌঁছানো সবচেয়ে ভালো। তবে খুব দ্রুত হাঁটবেন না, তাড়াহুড়ো করবেন না।

Facebook Comments Box

Posted ৫:৪৯ অপরাহ্ণ | মঙ্গলবার, ০৭ মে ২০২৪

londonpratidin.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

Editor : Naem Nizam